Posts

Showing posts from May, 2018

Bachelor Official || kureghor(কুঁড়েঘর) Orginal Track 18 ||

Image

💘💘তুই শুধু আমার💘💘

Image
#ভালোবাসার_গল্প তোকে রোজ একটি করে গোলাপের পাপড়ির টিপ পরিয়ে দেব। আমার কথা শুনে মুখ টিপে হাসে মেঘলা। মিষ্টি রিনরিনে গলায় বলল, যখন আমার বিয়ে হয়ে যাবে? তাত্ক্ষণিক উত্তরটা দিতে পারলাম না। কেনো যেন থেমে গেলাম, সত্যি তো, মেঘলার বিয়ে হয়ে গেলে কী হবে? রিকশাটা ঝাঁকুনি খেতেই মেঘলা আমার হাত চেপে ধরল। আরেকটু হলেই হয়েছিল...। আমি হেসে বললাম, তুই এত মোটা কেন?আমাকে নিয়ে তোর দেখছি খুব টেনশন, এটা নিজের বউয়ের ওপর প্রয়োগ করিস। রাগ করলি?আমি রাগ করলে তোর কী?একটু বেশি রাগ কর না। মানে? খুব সোজা, রাগলে তোকে খুব সুন্দর লাগে। এতটা সময় আমি তোর সঙ্গে থাকি অথচ আজকের আগে জানতামই না। মেঘলা এবার আমার পিঠে চাপড় দিয়ে বলল, ইউ...তুই একটা হনুমান।তোর মতো মুটি তো নই। মেঘলা চুপ হয়ে গেল, খেয়াল করলাম, ওর চোখের কোণে জল ছলছল করছে। বাড়ির কাছে আসতেই রিকশা থেকে নেমে গেল। প্রতিদিন পেছনে ফিরে একবার তাকায়, আজ তাকাল না। রাতে অনেকবার ফোন দিলাম, ফোন ধরল না। পরদিন ভার্সিটিতেও এল না। কয়েকটা দিন কেটে গেল। হঠাৎ মেঘলার মেসেজ, ‘তুই কি আমাকে নিয়ে একটু রিকশায় ঘুরবি, জাস্ট এখনই?’ আমি সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিলাম, ‘অবশ্যই। তুই ফোন ধরিস না কেন?’...

কেমন আছো তুমি

Image
#ভালোবাসার_গল্প :- দোস্ত দেখ এই ভাবে জীবন চলে না :- কেন কি ভাবে চলে :- দেখ মেয়েটা তার স্বার্থের জন্যে চলে গেছে। সে নিশ্চই সুখেই আছে আর তুই নিজের জীবনটাকে বরবাদ করে দিচ্ছিস :- কই একেই বলে জীবন। কোন সাংসারিক মায়া নেই কিছু নেই আহ কি শান্তি :- চল এখান থেকে চল :- তুই যা আমি আসি :- আচ্ছা ৫ মিনিটের মধ্য আয়। আন্টি অনেক টেনশনে আছে :- আচ্ছা যা কথা হচ্ছিল রবিন আর অর্নবের মধ্য। দুইজন কাজিন+ স্কুল, কলেজ & ভার্সিটির ফ্রেন্ড। অনেক ভাল বোঝাপড়া তাদের মধ্য। রবিন যে মেয়েটির কথা বলছিল সে ছিল অর্নবের প্রেমিকা। কিন্তু বেকার দেখে অর্নব কে ছেরে চলে যায়। অর্নব প্রথম দিন ভার্সিটিতে যাবার জন্য রিক্সাতে যাচ্ছিল হঠাৎ একটি মেয়েকে দেখে তার চোখ আটকে যায়। অনেক সুন্দর না তবু চেহারার মধ্য কেমন যানি মায়া আছে। প্রতি দিন অর্নব ভার্সিটিতে যাওয়ার সময় দেখত মেয়েটা ওখানেই দ্বারিয়ে থাকে। এই ভাবেই সে ভালবেসে ফেলে মেয়েটিকে।একদিন সে দেখে মেয়েটা তার বোনের সাথে গল্প করছে। বাসায় ফিরে সে তার বোন কে বলল :- কিরে ঐ মেয়েটা কে :- কোন মেয়ে :- আরে তুই সকালে যার সাথে গল্প করলি ওটা। :- ওহ অবন্তির ক...

💔💔অবশেষে💔💔

Image
#ভালোবাসার_গল্প অবশেষে, মায়াবতীর বিয়ে হয়েই গেল ! অবশ্য তাতে আমার কিছু আসে-যায় না। মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি কাজ'টা সেরে ফেললো সে...অনেক দিন থেকেই টিউশনির কিছু টাকা তার জন্য রেখে দেই। সেটা দিয়েই একটা নীল শাড়ি কিনলাম আরো কিছু দিন গেলে হয়-তো আরো অল্প টাকা জমতো। সব মিলিয়ে এর চেয়ে খানিক'টা ভালো একটা শাড়ি পেতাম... এটাও খারাপ নাহ ! নীল তার প্রিয় রঙ, তার প্রিয় বলেই হয়-তো আমারও প্রিয় ! নীল ড্রেসে তাকে বেশ মানাতো... আমার ভাষায় যাকে বলে, ডানা কাটা পরী !! আচ্ছা, নীল শাড়িতে তাকে কেমন দেখাবে? মায়াবতী কি আমার দেওয়া শাড়ি পরবে?? সে বুদ্ধি আমি আগেই করে রেখেছিলাম, যার মাধ্যমে শাড়ি'টি পাঠালাম- তাকে বলে দিয়েছি... আমার কথা না বলতে ! অদ্ভুদ খেলা তার সাথে, পাগলামী-পাগলামী.. .. মায়াবতী'কে প্রথম কবে দেখেছিলাম, ভুলে গেছি... তবে শেষ দিনের কথা স্পষ্ট মনে আছে। সেদিন সে নীল-সাদার মাঝে একটা ড্রেস পরেছিলো ; প্রচন্ড ঝগড়ার মাঝে তার কান ভিজে গিয়েছিলো ... .. ঘামের বিন্দু বিন্দু ফুটা তার সাদা উড়না শুকিয়ে নিলো ! ঐ ক্ষণের পর সে শান্ত হয়েছিলো কিনা জানি নাহ, তবে আমি জনমের জন্...

💘💘রিফাত ও অথৈই💘💘

Image
#ভালোবাসার_গল্প ব্যবসায় পড়া লেখা শেষ করে আমেরিকা থেকে সবে মাত্র দেশে ফিরল রিফাত।দেশে বাবার বিশাল ব্যবসা। তাই তার বাবাও চান তার এই ব্যবাসার দায়িত্ব বুঝে নেক তার ছেলে। তাই হলো, ব্যবসার সব দায়িত্ব এখন রিফাতের। কয়েক মাস কেটে গেলো, একা আর সামলানো যায় না, একজন P.A (Personal Assistan) দরকার। নিয়োগ দেয়া হলো "অথৈই" নামের এক মেয়েকে। অথৈই ছিল উচ্চ শিক্ষিত, সুন্দরী। সে তার বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে। বাবার সংসার চালানোর মত ক্ষমতা এখন আর নেই তাই অথৈই এর জন্য চাকুরিটা খুবই প্রয়োজন ছিল। বিশাল কোম্পানিতে চাকুরি পেয়ে খুশি অথৈই। তার বাবা মাকে নিয়ে ভালোই দিন কাটে অথৈইর। এরি মাঝে রিফাতের সাথে উঠা বসা অথৈইর । রিফাত অথৈইকে নিয়ে কখনো দুপুরে লাঞ্ছ, পার্কে ঘুরা কিংবা রাতে কেন্ডেল ডিনার করে। একসময় দু'জন দু'জনকে ভালোবেসে ফেলে কিন্তু কেও তা কাউকে বলেনি। হঠাৎ এক দিন পার্কে রিফাত তার ভালবাসার কথা বলেই ফেলে অথৈইকে, রিফাতেকে ভালোবাসা সত্তেও অথৈই রিফাতকে ফিরিয়ে দিলো। কারন, রিফাত এত্ত বড় কোম্পানির মালিক তার সাথে সম্পর্ক তা কি করে হয়!! ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বাড়িতে ফিরল অথৈই...

বাণী

Image
#বাণী জীবনে কিছু কিছু প্রশ্ন থাকে যার উত্তর কখনও মিলেনা, কিছু কিছু ভুল থাকে যা শোধরানো যায়না, আর কিছু কিছু কষ্ট থাকে যা কাউকে বলা যায়না।-  হুমায়ূন আহমেদ

💜🌹পবিত্র ভালোবাসা🌹💜

Image
#ভালোবাসার_গল্প কোন এক দম্পতি নিজেদের বিবাহ বার্ষিকীতে ফজরের নামাজ শেষ করে ভোর বেলা দুজনে মিলে বারান্দায় বসে গরম চায়ের কাপ হাতে কিছু মধুরতাপূর্ণ গল্প করছেন। শুরুটা হয়তো বা দুজনের জীবনের কোন এক কঠিন বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে, কিন্তু পরের অংশটা কেবলই হৃদয় ছোঁয়া ভালবাসার গল্প... . . - কিছু মানুষকে আল্লাহ কিছু বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠান আর সাথে দেন অনেক বেশি কষ্ট এবং সেই কষ্ট সহ্য করার মত সামর্থ্যটাও! - আর কিছু মানুষকে আল্লাহ তোমার মত মানুষের মন বুঝার ক্ষমতা দিয়ে পাঠান, আর কিছু মানুষকে করে দেন আমার মত এত বেশি ভাগ্যবান যাদের জীবন সঙ্গিনী তোমার মত একটা মেয়ে হয়! - আমার জন্য তুমি ভাগ্যবান নও, তোমার কপালে যা আছে তাই হচ্ছে...! - আমি তোমার হাতটি ধরে সারাটি জীবন পাশে হাঁটতে চাই, তোমার সব কষ্ট গুলোকে আমার করে নিয়ে আমার সূখ গুলোকে তোমার মাঝে বিলিয়ে দিতে চাই... বিনিময়ে চাই শুধু তোমার একটু ভালবাসা! - তোমার এই চাওয়া পূরণ করতে আমি আমার জীবন দিতেও রাজি! - আমার জন্য তোমার জীবন দিতে হবে না, শুধু জীবনটা যতদিন আছে ততদিন তোমার মনটা আমার কাছে দিয়ে রেখো! - আজকের মত এমন কোন এক ...

উক্তি

Image
#উক্তি কিছু কিছু মানুষ সত্যি খুব অসহায়। তাদের ভালোলাগা মন্দলাগা, ব্যথা বেদনা গুলো বলার মত কেউ থাকে না। তাদের কিছু অবাক্ত কথা মনের গভীরেই রয়ে যায়, আর কিছু কিছু স্মৃতি - এক সময় পরিনত হয় দীর্ঘশ্বাসে।-হুমায়ূন আহমেদ

উক্তি

Image
সবাই তোমাকে কষ্ট দিবে, তোমাকে শুধু এমন একজন কে খুঁজে নিতে হবে যার দেয়া কষ্ট তুমি সহ্য করতে পারবে।- হুমায়ূন আহমেদ

💘💘 ভালোবাসি পাগলীটাকে 💘💘

Image
#ভালোবাসার_গল্প ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম। পকেটে মাত্র একশ টাকা। সম্বল বলতে এটুকুই। কাল নীরার জন্মদিন। তিন বছর ধরে একসাথে আছি। মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি। পৃথীবিতে কিছু কিছুমেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী। নীরাও তাই। ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না। আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি। এমনিতেই ও অনেক বেশি কেয়ারিং।নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে। ইউ-সি-সি তে কোচিং করার সুবাদে। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে। জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকারফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল। যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির। একবার কোচিংএর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই। এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম। ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড। ফুচকাওয়ালাকে বললাম 'মামা, মানিব্যাগ ফেলে এসেছি। আমার কাছে টাকা নাই। এই ঘড়িটা রাখুন।' দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল। স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম। জীবনের সেই...

💜💜মেঘের মহারাণী💜💜

Image
#ভালোবাসার_গল্প মেঘার সাথে আমার প্রথম দেখা আজ থেকে প্রায় ২ বছর আগে। কোন এক পড়ন্ত বিকেলে সূর্য যখন প্রায় ডুবতে যাচ্ছে ঠিক এমন সময়ে ক্লাস শেষ করে বাসায় আসছিলাম। এমনিতেই সারাদিনের ক্লাসের চাপে প্রচন্ড টায়ার্ড। বাসে একটি সিট পেতেই বসে পরলাম। পাশে একটি মেয়ে বসেছিল। বাসের হেল্পার যখন ভাড়া নিতে আসল তখন আমি ভাড়া দিয়ে দিলাম। কিন্তু পাশের মেয়েটি বলল ভাড়া পরে নিতে। হেল্পার চলে গেলে মেয়েটি ফোনে কার সাথে যেন কথা বলছিল। কথা-বার্তা থেকে বুঝলাম ওর কাছে কোন টাকা নেই। আমি সাধারণত অপরিচিত কারও সাথে যেচে পড়ে কথা কখনই বলি না। কিন্তু ফোন রাখার পর আমি ওকে বললাম যে ভাড়া নিয়ে কোন টেনশন না করতে। আমি দিয়ে দিব। সাথে সাথে ও আমার সাথে ঝগড়া করা শুরু করে দিল। কেন আমি তার ভাড়া দিব, আমার কি ঠেকা পড়েছে এই নিয়ে বিশাল প্যানপ্যানানি শুরু করল। এমনিতেই খুব ক্লান্ত ছিলাম তাই আর কোন কথা না বলে ওকে সরি বলে সিটে মাথাটা এলিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণের মধ্যে বোধ হয় হেল্পার এল এবং বিশাল জোড়ে চিল্লাচিল্লি করা শুরু করল। সামনের সিট থেকে উতসুক কয়েকজন উঠে এল এবং নানাকথা বলতে লাগল। পাশে তাকিয়ে দেখি প্রচন্ড শক্ত মে...

😒😒অচেনা সেই মেয়েটা😒😒

Image
#ভালোবাসার_গল্প সেদিন ভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরছি। ঠিক সেই মুহুর্তে পিছন থেকে একটা মেয়েলী কণ্ঠ ভেসে আসছে। আমায় নাম ধরে ডাকছে আমি ভাবছি আমার নামের অন্য কাউকে ডাকছে তাই মেয়েটার ডাকে সাড়া না দিয়ে আমি আমার গন্তব্যের দিকে হাটতে লাগলাম। দু তিন পা এগুতেই মেয়েটা আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। দেখতে অনেক সুন্দর বটে কিন্তু আমি তো এই মেয়েটাকে চিনি না। এর আগে দেখছি বলে মনে হয় না। আমি বেশ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলামঃ আপনি কি আমায় ডাকছেন? মেয়েটা মুখটা ভেংচি দিয়ে বললোঃ আপনাকে ছাড়া আর কাকে ডাকবো? এখানে এই নামে আর কেউ আছে বলে মনে হয় না। আমি মেয়েটার কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লাম। চিনি না জানি না হঠাৎ কোথ থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসলো। আমি নরম মৃদু স্বরে বললামঃ আপনি আমাকে কিভাবে চিনেন? যেভাবেই হোক চিনি কিন্তু বলবো না। কি ঝামেলারে বাবা চিনে কিন্তু বলবে না। সেদিনের মত কথা শেষ করে বাসায় আসলাম। রাত ১২ টার দিকে আমার ফোনে একটা কল আসে। অচেনা নাম্বার দেখে প্রথমে ধরি নাই। বারবার কল দেওয়াতে বিরক্ত হয়ে ফোনটা ধরলাম। এইযে কে আপনি? বারবার ফোন দিচ্ছেন কেনো? ফোনের ওপাশ থেকে কাঁদোকাঁদো কন্ঠে বললোঃ আমি। আমি রেগে গিয়ে বললামঃ আমি কে? নাম না...

প্রবাসির ভালোবাসা

Image
লেখকঃ শারমিন রহমান #ভালোবাসার_গল্প!  প্রবাস নামক কারাগারে বাস করার একটা পর্যায়ে ঢাকায় থাকা শবনমের সাথে ফেসবুকে পরিচয় হয় চট্টগ্রামের মুহিবের। শবনম তখন উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। জীবনের বাস্তবতা ভাববার বুঝটা সেরকম হয়নি তখন! কথা বলতে বলতে মুহিব আর শবনম প্রচণ্ড মায়ায় জড়িয়ে যায় একসময়। একপ্রকার অবাধ্য কাছে আসা। ভালোলাগা আর তারপর ভালোবাসা….. তবুও সমাজের আর দশটা প্রেম কাহিনীর চেয়ে ওদের গল্পটা আলাদা! রোড এক্সিডেন্টে বাবা চলে যাওয়ায় নিজের পড়াশোনা বাদ দিয়ে সংসারের হাল ধরতে প্রবাসে ছুটে যায় এক বিধবা মায়ের বড় ছেলে আর এতিম ভাই বোনদের বড় ভাই মুহিব! সেখানে শ্রম বিলিয়ে টাকা কামিয়ে মায়ের হাতে পাঠিয়ে দেয় সে। তার দুবোন একভাই আর মা। ছেলের পাঠানো উপার্জনে স্রোতের মতো একভাবে চলে যায় তাদের জীবন। এদিকে সময় গড়াবার সাথে সাথে একটা সময় শবনমের বুঝ হয়। তার বাড়িওয়ালা আর সরকারি চাকুরীজীবী বাবা কখনই মুহিবের মতো ছেলেকে মেয়ের জামাই হিসেবে মেনে নিবে না। মুহিবও জানে সেটা। তাই তারা সিদ্ধান্ত নেয় কোনোদিন দেখা না করার। কারণ দেখা করা মানেই ভুলের আরেকটা অধ্যায়ের শুরু। সেই শুরুটা তারা করতে চায়না। বিশেষ করে শবনম।...

💘💘 শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা 💘💘

Image
-কিরে এমন ভাবে কি দেখছিস? -তোকে শরৎচন্দ্রের নায়িকা মাধবীর মত লাগছে!কি যেন ছিল উপমা টা! “......অনেক কাল বৃষ্টি হইবার পরে সূর্য উঠিলে হটাত যেমন লোকে সেদিকে চাহিতে চায় ,ক্ষণকালের কালের জন্য যেমন মনে থাকেনা সূর্যের পানে চাহিতে নাই! চাহিলে চক্ষু পীড়িত হয়.........” তেমনি আমার চক্ষুও পীড়িত হচ্ছে! আঁচলে মুখ ঢাক! জ্যোতি রিনঝিন করে হাসল। সে হাসি মাধবী লতার চেয়েও শুভ্র। অনেক বেশি পবিত্র। আজ জ্যোতির জন্মদিন। তাই এত আয়োজন করে সেজেছে সে। নীল রঙের শাড়িটা যেন আকাশের সবটুকু নীল ধারন করেছে বুকে। হয়ত জ্যোতি পরেছে বলে! - তাড়াতাড়ি আয়! কেক কাটবো! জ্যোতির ডাকে ভাবনায় টান পড়লো। একটা নীল পরি কেক কাটছে।তার পাশে ঘিরে আছে অনেক গুলা অনাথ আশ্রমের বাচ্চা। পরী টা সবাইকে কেক খাওয়াচ্ছে। বাচ্চাগুলার আনন্দ দেখে আমার মত কাঠখোট্টা মানুষেরও চোখ ছলছল করে উঠল। নিজেকে কিছুক্ষণের জন্য অনেক সৌভাগ্যবান মনে হল। আমি অবাক হয়ে ভাবি এত শক্তি কোথায় পায় মেয়েটা! প্রচণ্ড শীতে আমরা যখন কম্বল মুড়ি দিয়ে প্রেমিকার সাথে প্রেমালাপে উত্তপ্ত হওয়ায় ব্যাস্ত তখন সে ছুটে যায় কমলাপুরের বস্তি গুলোতে।ঘুমন্ত মানুষ গুলকে ডে...

📱📱 ভুল নাম্বারে ফোন কল এবং ভালবাসা 📱📱

Image
হঠাৎ একদিন রাত এগারটায় ল্যান্ডফোনটা বেজে উঠলো, হ্যালো কে বলছেন ? ওপার থেকে অসম্ভব মিষ্টি একটা কণ্ঠ ভেসে এলো যেন স্বর্গের অপ্সরা কথা বলছে । খুব হকচকিয়ে গেলাম আবার পুলকিতও হলাম ভয়ানক ভাবে । বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো এমন অচেনা কল কার না ভাল লাগে । খুব স্পষ্ট করে আমাকে এ চাইলো যেন কত কালের চেনা জানা । তার পরিচয় জিজ্ঞেস করলাম,বিস্তারিত কিছু বললো না । আশ্চর্য হবার শুরু সেদিন থেকেই । এরপর থেকে প্রত্যেক রাতে ঠিক এগারটায় কলটা আসতো । মন্ত্রমুগ্ধের মতো নেশাগ্রস্তের মতো কথা বলতাম ভোর রাত পর্যন্ত । হয়তো একেই বলে প্রেম, মরুময় ব্যাচেলর জীবনের প্রথম প্রেম । দিন দিন অবস্থা আরো ভয়াবহ হলো, বিকেল থেকে ওর কলের জন্য অপেক্ষা করতাম । ওর কল না আসা পর্যন্ত হাশপাশ করতে থাকতাম, এভাবে চলল পুরো এক মাস । মানুষ তো চেহারা দেখে প্রেমে পড়ে ,আর আমি পরলাম… কখনো ওর ফোন নাম্বার জানতে চাইনি, ঠিকানা তো অনেক পরের ব্যাপার । দিন যেন যাচ্ছে ঝড়ের গতিতে, একি চরম এক মনোমুগ্ধতা ! ঘোরের মধ্যে কাটছে দিন রাত, সারাদিন শুধু ওর ই চিন্তা । কতদিন যে ওর সাথে দেখা করতে চেয়েছি, ও এড়িয়ে গেছে, বলেছে পরে, সময় হলে । আমি ও অপেক্ষা করছি,...

বাণী👏

“দুঃখের মাঝেও একটা সুখের অনুভূতি থাকে, তা হয়তোবা সুখে থেকে কেউ কল্পনাও করতে পারবেনা। কারণ মানুষ দুঃখে থেকে সুখকে উপলদ্ধি করতে পারলেও সুখে থেকে কিন্তু কেউ দূঃখকে সেভাবে উপলদ্ধি করতে পারেনা। আর মানুষ যখন কষ্টের মাঝে সুখকে কল্পনা করে তখন তার মনে যে অনুভূতির সৃষ্টি হয় তা কখনও কখনও সুখের চেয়েও

💜💜একটি ভালোবাসার গল্প💜💜

Image
মনিকার এরকম লাগে কেন? চারপাশে খা খা শূন্যতা। সবই আছে আবার যেন কিছুই নেই। আজ ভার্সিটিতে আসার সময় মা বারবার জানতে চাইছিলÑ কি হয়েছে রে তোর? দ্যাখ, কোনো সমস্যা থাকলে আমাকে বল। ভার্সিটিতে কোনো সমস্যা? মনিকা মায়ের কথা এড়িয়ে গেছে। মা যতবারই সমস্যার কথা জানতে চেয়েছেন মনিকা ততবারই এড়িয়ে গেছেন কিছু না মা। তুমি অযথা চিন্তা করছো। মা শেষ পর্যন্ত আর কিছু বলেননি। তবে সন্দেহভরা চোখে বারবার মনিকার দিকে তাকাচ্ছিলেন। মনিকা যখন বাসা থেকে বের হয় মা এগিয়ে এসে বলেছিলেন, একটা কথা মনে রাখিস মনিকা, পরিকল্পনাহীন মানুষ কখনো জীবন যুদ্ধে জয়ী হয় না। আমার ধারণা তুই তোর জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মারাত্মক দুশ্চিন্তায় আছিস। মা ঠিকই বলেছেন। মনিকা তার ভবিষ্যৎ জীবনের পরিকল্পনা সাজাতে গিয়ে একটু যেন হোঁচট খাচ্ছে। শাহেদকে নিয়েই জীবনের পরিকল্পনা সাজাতে চায় মনিকা। বান্ধবীদের অনেকে বিয়ে সংসার নিয়ে নাক সিটকায়। আমি ভাই বিয়েশাদীর মধ্যে নাই। বিয়ে সংসার একগাদা বাচ্চা কাচ্চা, ওহ! মাই গড! আমাকে দিয়ে এসব হবে না। সেদিন এক আড্ডায় হৃদিতা এই কথাগুলোই বলছিল। ওদের সঙ্গে আড্ডায় বেশিক্ষণ থাকতে পারেনি মনিকা। কারণ আড্ডাটা তার মোটে...