Posts

Showing posts from June, 2018

নিরব ভালোবাসা/romantic love story/valobasar golpo

Image
valobasar golpo এটা একটা বাংলাদেশের কোন এক মধ্যবিত্ত পরিবারের একটি ছেলে ও একটি মেয়ের নীরব প্রেমের গল্প। মেয়ের পরিবার চিরাচরিত নিয়মে ছেলেটাকে গ্রহন করতে অস্বীকৃতি জানায়। স্বাভাবিকভাবেই মেয়ের পরিবার মেয়েটাকে বুঝানোর চেষ্টা করে যে ছেলেটার খুব একটা ব্রাইট ফিউচার নেই, তার সাথে সম্পর্ক রাখাটা বোকামি ছাড়া আর কিছু না। পরিবারের চাপে পড়ে একদিন মেয়েটা ছেলেটাকে বলে, “আমার প্রতি তোমার ভালোবাসা কতটা গভীর? তুমি একটা কিছু অন্তত করো। তাছাড়া আমাদের সম্পর্ক কেউ মেনে নিবে না।” ছেলেটা কোন উত্তর খুঁজে পায় না। সে চুপ করে থাকে। মেয়েটা রাগ হয়ে চলে যায়। তারপরেও স্বপ্নবিলাসী ছেলেটা তাদের ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে, কিছুটা অন্জন’দা এর গানের মতো, “সাদা-কালো এই জন্জালে ভরা মিথ্যে কথার শহরে, তোমার-আমার লাল-নীল সংসার।” ছেলেটা একদিন হায়ার-স্টাডিসের জন্য বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যাওয়ার আগ-মুহূর্তে সে মেয়েটাকে বলে, “আমি হয়তো কথায় খুব একটা পারদর্শী না, কিন্তু আমি জানি যে আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। তারপরেও তুমি যদি চাও, তোমার-আমার বিয়ের কথা আমি তোমার পরিবারকে একবার বলে দেখতে পারি। নতুন নতুন মো...

তারপর ভালোবাসা/romantic love story/valobasar golpo

Image
valobasar golpo – তুই আমাকে এখনো ভালোবাসিস ? – না। – কেন ? – কেন আবার কি ? – ভালোবাসিস না কেন ? – যখন ভালোবেসে ছিলাম তখন তো মূল্য দিলি না। – তুই তো আমাকে বলিসনী কোন দিন ? – তোর বোঝা উচিত ছিলো। – তুই না বললে কেমন করে বুঝবো ??? – কেমন করে বলব ? বলার আগেই তো তুই ওই ছেলেটাকে আমাদের মাঝে নিয়ে আসলি। – ও আমার জাষ্ট ফেন্ড ছিলো আর কিছু না। – আমি তো তোর বেষ্ট ফেন্ড ছিলাম। মাএ দুই দিনের একটা ছেলের জন্য তুই আমাকে ভুলে গেলি ? – আমি তোকে ভুলিনী, তুই আমার কাছ থেকে দূরে চলে গেছিস। – কেন গেছি তু্ই জানিস না ? – না। – জানবি কেমন করে ? আমি তো তোর কেউ ছিলাম না। – এমন ভাবে বলিস কেন ? তু্ই তো জানিসই আমি একটু কম বুঝি। বললেই পারিস। – আমি তোর পাশে অন্য কাউকে সহ্য করতে পারি না। – একবার বললেই পারতি !! – কেন বলব ? তুই বুঝিতে পারিস না ? – বুঝলে কি আর তোর থেকে দূরে থাকতাম। দুজনেই চুপ। কিছুটা সময় নিরবতার পর তানহা বলে উঠল, – চুপ কেন ? – এমনিই। – কাউকে ভালোবাসিস ? – না। – ভালোবাসতি ? – হ্যা। – সেদিন বলিসনী কেন ? – বলার সাহস ছিলো না। – কেন ? – তোকে হারানোর ভয়ে। – কেন হারাবি আমায় ? ...

একবার ভালোবাসো/romantic love story/valobasar golpo

Image
valobasar golpo ছোট্ট একটা ঘর আমার ছোট্ট একটা মন। সেই ঘরেতে বাস করে আমার প্রিয় জন.. ছোট্ট দুটি আখি তার ছোট ছোট পা তাই দেখে উরে গেল আমার পরান টা… – অবসর সময়ে দু একটা কবিতা লেখে  সালমান..চাকরি করার পর সময় মেলেই না..একটা প্রাইভেট কম্পানীতে ছোট খাট একটা জব করে..সকাল ৭.৩০ সময় বাসা থেকে বের হয় সালমান..বাস স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থাকে বাসের জন্য..এই সময়টা অনেক ব্যস্ত থাকে নগরী..সবাই যার যার কাজের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য ব্যস্ত..অনেক কষ্ট করে বাসে উঠতে হয়..তাও আবার দাড়িয়ে থাকতে হয় অনেক সময়. – প্রায় প্রতিদিন এমনই হয়..স্ট্যান্ডে অনেকেই দাড়িয়ে থাকে..কিন্তু সালমানের নজর কারে একটা মেয়ে..প্রতিদিন বাসের জন্য অপেক্ষা করে..মনে হয় স্টুডেন্ট হবে..হাতে বই থাকে সব সময়.. – সালমান প্রতিদিন লক্ষ করে মেয়েটাকে..কিন্তু সময়ের অভাবে কথা বলা হয় না.. – মেয়েটা লক্ষ করে কিনা কে জানে.? – প্রতিদিনের মত অফিস থেকে ফিরে রেস্ট নিচ্ছে সালমান..আর মনে মনে ভাবছে মেয়েটার কথা.. – রেহানা বেগম সালমানের রুমে আসলেন..সালমানের মা ইনি..বাবা সালমান অনেক ত বয়স হল এবার একটা বউ নিয়ে আয় ঘরে..দেখ আমার অবস্থ...

হায়রে প্রেম/sad love/valobasar golpo

Image
valobasar golpi এমন কাউকে খুঁজুন এবং তাকেই বেছে নিন যে কিনা.. আপনাকে পেয়ে গর্ব বোধ করে..। আপনাকে হারানোর ভয়ে ভীত থাকে.. আপনার ইচ্ছা গুলোকে পূরণ করার প্রচেষ্টায় থাকে..। আপনাকে সম্মান করে আপনার যথেষ্ট কেয়ার অথবা যত্ন করে.. আপনি কিছু বলার আগেই সে অনেক কিছুই সে বুঝে ফেলে..। ছোট ছোট কারনে রাগ অভিমান আর ঝগড়া করে.. আপনার গুণ,ভালো,মন্দ লক্ষ্য করে ভালো কে ভালো এবং খারাপ কে খারাপ-নির্দ্বিধ ায় বলে ফেলে.. কারন সত্যিকার অর্থেই সে আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনাকে সে সুখী দেখতে চায়। সত্যিকার ভালোবাসা কষ্ট দেওয়ার জন্য নই তবে সত্যিকার ভালবাসলে কষ্ট পেতে হয় আর কিছু মানুষ ভালোবাসা নিয়ে করে অভিনয় যে কারন ভেঙ্গে যায় সত্যিকার ভালোবাসার হৃদয়! সব কষ্ট সুখে পরিণত হয়, যখন প্রিয়জন পাশে রই, তখন কষ্ট বলে কিছু থাকেনা যখন ভালবাসার মানুষটি বলে আমি তোমার ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুই চাইনা। একজন মানুষের কাছে তার প্রিয় মানুষটি হল মূল . যদি মন খারাপ হয়ে যায় অকারনেই , হঠাৎ যদি ছুয়ে যায় খেয়ালি বাতাস, তবে জেনো চুপি চুপি সে বলছে আমার কথাই। যদি কারও দেওয়া কষ্ট তোমাকে খুব কাদায়- তবে জেনো ভালবাসার স্পর্শছায়ায়প...

পেয়েও আবার হারালাম/sad love story/valobasar golpo

Image
valobasar golpo তনয় খুব অবাক হয়ে মোবাইলের দিকে তাকালো। প্রায় এক বছর পর রুবিনার নাম্বার থেকে কল। মোবাইলের স্ক্রীনে খুব সুন্দর করে লেখা- STAR is calling… এক বছর আগে তনয়ের সাথে রুবিনার ব্রেক আপ হয়ে যায়। সব ঠিকঠাক, হঠাৎ এক বৃহস্পতিবার রাতে রুবিনা জানালো, “আমি রিলেশনটা কনটিনিউ করতে পারবো না। আমি সিরিয়াস।” তনয় আধো বিশ্বাস আধো অবিশ্বাসে দুলতে দুলতে বললো, “কেনো? কী হইছে? দুস্টামি বাদ দাও…” রুবিনা খুব নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে উত্তর দিলো, “আমার আরো একজনকে ভাল লেগেগিয়েছে, তার সাথে রিলেশনও হয়েগিয়েছে। আমি সেটাই কনটিনিউ করতে চাই। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দেও তোমার আমাকে ভুলতে হবে। বিশ্বাস করতে পারছিলো না তনয়। বললো, “আরে ধুর, ফাইজলামি করো ক্যান!” ফোন কেটে দেয় রুবিনা। এরপর অনেক চেষ্টা করেও আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি রুবিনার সাথে। সেদিন সারা রাত তনয় রুবিনার মোবাইলে কল করে কিন্তু বার বার একই উত্তর আসে waiting... waiting....। সকাল সাতটা পর্জন্ত! তারপর সপ্তাহ দুয়েক পর তনয় খবর পেয়েছিলো, রুবিনা নতুন মানুষটিকে নিয়ে শুখেই আছে। নিজেকে ধিরে ধিরে গুছিয়ে নেয়। এ পর্যন্তই। রুবিনা নামটা তনয়ের প্র...

sad love story/ valobasar golpo

Image
valobasar golpo নাবিলা বলেছিল, আমাদের বাসর হবে আড়িয়াল বিলের মাঝখানে ডিঙ্গি নৌকোর ছাদখোলা পাটাতনে শরতের কোনো পূর্ণিমায় শাদা-কালো মেঘগুলো বার বার জোসনা ঢেকে দিবে। দক্ষিণের কালিগাঁও থেকে উড়ে আসা বাতাসে উজানে ভেসে যাবে আমাদের ডিঙ্গিখানি- আড়িয়াল বিলের সমগ্র বুক জুড়ে থোকা থোকা শাপলারা দুলে দুলে আমাদের অভিবাদন জানাবে। নাবিলা বলেছিল, আমরা একটানা অনেক-অনেকদিন আকাশে-বাতাসে-পাহাড়ে উড়বো, আর প্রেম করবো। তারপর আশ্বিনে চকের পানি নেমে গেলে গাংকুলায় আমন ক্ষেতের পাড় ধরে বহুদূর হেঁটে হেঁটে ধানের গন্ধ আর সোনারং শরীরে মাখবো। বিরান সর্ষেক্ষেতের দিকে তাকিয়ে নাবিলা বলতো, দেখো, কী অদ্ভুত সমুদ্র! সাধ হয় ডুবে মরি। তারপর সত্যিই সে সমুদ্রে ঝাঁপ দিত। দিগম্বর সর্ষেসমুদ্র পেরিয়ে, কালাই, মটর, ডগাতোলা দূর্বা মাড়িয়ে একনিশ্বাসে ছুটে চলতো নাবিলা। তারপর বিপুল সায়াহ্নে ছোলাপোড়ানো একদঙ্গল ছেলেমেয়ের ভিড়ে আমরা মিশে যেতাম। নাবিলা বলেছিল, আমরা একরাতে জয়পাড়া সিনেমাহলে ‘সাতভাই চম্পা’ দেখবো; ফিরতিপথে দোহারপুরীর নিকষ আঁধারে ডানা-ঝাপটে-উড়ে-যাওয়া প্যাঁচাদের ভয়ে একটুও চমকাবো না। ভাদ্রের শেষে আড়িয়াল বিলের নৌকাবাইচ, নূরুল্ল...

Odora valobasa/love story/valobasar golpo

Image
valobasar golpo এই যে মহারাণী আপনার আর কতক্ষন লাগবে,আপনার আটা,ময়দা থেরাপি এখনও শেষ হয় নাই। কথাগুলো বলে একটা রিক্সা ডাক দেয় রোহান।ওপাশ থেকে সাদিয়া বরাবরের মত ঝাড়ি না দিয়ে খুব মায়াবী কন্ঠে বলে,তুই দাড়াঁ আমি আসছি। রোহান আর সাদিয়া সেই ছোটবেলার বন্ধু। পাশাপাশি বাসা,দুই পরিবারের ভাল সম্পর্ক আর একই স্কুল কলেজে পড়ার সুবাদে দুজন দুজনার খুব ভাল বন্ধু। কিন্তু সেটা যে আর বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই সেটা দুজনেই বুঝতে পারছে। শুরুটা ভার্সিটি ভর্তির প্রথম দিন।ক্লাশ শেষে বাসায় ফিরছিল ওরা। ঠিক এইসময় হঠাৎ বৃষ্টির আগমন। রিক্সা থেকে নেমে একটা বন্ধ শপিংমলের সামনে দাড়াঁল দুজন। দুজনেই ভিজে একাকার। হঠাৎ করে কাছে কোথাও বাজ পড়ল।ভয়ে রোহানকে শক্ত করে জরিয়ে ধরল সাদিয়া। রোহান অনুভব করল কোন এক স্বর্গীয় সুখের আবেশে হারিয়ে যাচ্ছে সে।বুকের ভিতর কেমন জানি নিস্তদ্বতা বিরাজ করছে। কেমন জানি একটা গাঁঢ় মিষ্টি গন্ধ যা শুধু মেয়েদের শরীরেই থাকে। সেদিন এর পর থেকে রোহান বুঝতে পারে সাদিয়াকে সে ভালবাসে। কিন্তু সে বলবে কিভাবে? ইদানিং সাদিয়া কেমন জানি তাকে এড়িয়ে যাচ্ছে। আগের থেকে সাদিয়া অনেক বদলে গেছে। আ...

অসমাপ্ত ভালোবাসা/valobasar golpo/sad love story

Image
valobasar golpo ঝমঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। বর্ষাকালে বৃষ্টি হবে এটাইতো স্বাভাবিক। তবে, আশিকের কাছে এই বৃষ্টিটা অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। কেনো মনে হচ্ছে তা সেও হয়তো জানে না! এই বৃষ্টিতে আশিকের সারা শরীর ভিজে একাকার হয়ে গেছে। হাটছে আর চপ চপ করে আওয়াজ হচ্ছে তার জুতো থেকে। পকেটে মোবাইলটা ভিজে গেছে কিনা কে জানে! এক সপ্তাহও হয়নি মোবাইলটা কেনা। এর আগের মোবাইলটা ছিনতাই হয়েছে। আর এই নতুন মোবাইলটা যদি বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয় তাইলে তো শেষ!! মানি ব্যাগে রাখা টাকাগুলোও হয়তো ভিজে গেছে। মুনিয়া বিশহাজার টাকা চেয়েছে। সেই টাকার কিছু অংশ মানি ব্যাগে আর কিছু অংশ প্যান্টের পকেটে। সেই টাকাগুলোও ভিজে গেছে নাকি কে জানে! মুনিয়া! মুনিয়া আশিকের স্কুল জীবনের বন্ধু। একদম ঘনিষ্ঠ বন্ধু যাকে বলে। আশিক প্রায়ই বলে, ওয়ান্স আপন এ টাইম শি ওয়াজ মাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। তবে কোনো একটা কারণে, মুনিয়া আশিককে দূরে সরিয়ে দিয়েছে। অনেক বছর পর মুনিয়া প্রবাশ থেকে এসে আশিকের সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে। এতো বছর পর আবার তাদের সম্পর্কটা স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। তারপরও! একটা ডিস্টেন্স তো থেকেই যায়। তারা দুজনই অনেক চেষ্টা করে সেই দূরত্বট...

অদ্ভুদ একটা মেয়ে/sad love story/valobasar golpo

Image
valobasar golpo এ যে ভাই, বাসটি কখন ছাড়বে বলতে পারেন? □ এইতো একটু পরেই! আপনি ভেতরে এসে বসুন। ■সিট কোনটা? □ এই তো D2 সিট টা আপনার ■ ধন্যবাদ! ■"excuse me"এই সিট টা আমার, So যদি একটু... ইতিঃ হ্যা Sure! ■ Oh Sorry! তুমি? ইতিঃ জ্বি, আপনি এখানে? ■ এই তো একটু গ্রামের বাড়িতে যাবো, তুমি কোথায় যাবা? ইতিঃ আমিও তো বাড়িতে যাচ্ছি... ■ আচ্ছা তুমি তাহলে ওখানেই বসো, সমস্যা নাই ইতিঃ Thank's... অনেক দিন পর আজ বাড়িতে যাচ্ছি, আম্মু হয়তো অসুস্থ না হলে এবার ও যাওয়া হতো না। তবে এবার বাড়ি গেলে আমাকে আর একা ফেরা হবে না, ফিরতে হলে নাকি বউ নিয়েই ফিরতে হবে। এমনটিই জানিয়েছেন বাড়ির বিজ্ঞ বিচারপতি আমার ছোট বোন, আমার জন্য নাকি ওর বিয়েটাই থেমে আছে। তাই এবার ইচ্ছা থাকলেও অমতের কোন সুযোগ'ই নেই, কি আর করার...... আজ হয়তো শফিক পাশে থাকলে অনেক ভাল হতো, বেচারা একটি মেয়ের জন্য অনেক বাস স্টপে ঘুরেছে, অনেক সময় মেয়েটির দেখাও পেত না। অথচো সেই মেয়েটিই আজ আমার পাশে বসে আছে। বলছিলাম ইতির কথা, মেয়েটিকে খুব ভালবাসতো শফিক, হোস্টেল থেকে ভার্সিটি, লাইব্রেরী, সপিং মল যেখানেই ইতি যাক...

নীরবে ভালবেসে যাব/valobasar golp

Image
valobasar golpo প্রিয় রাফি, কেমন আছিস? তোকে এই কথাটা বলবো ভেবে বলতে পারি নি। খুব ভয়ে ছিলাম,যদি আমাদের ফ্রেন্ডশিপ টা নষ্ট হয়ে যায়। ছোট বেলা থেকেই তোকে দেখে আসছি। তোর ভালো লাগা,খারাপ লাগা,সব কিছুই আমি বুঝি। তোকে কেউ না বুঝলেও আমি তো তোকে বুঝি। . তুই আমাকে পছন্দ করতি তাও আমি জানতাম।কিন্তু,তুই তো আমায় বলতে পারতি। এতো দিন বলিস নি কেন? আমাকে বললেই পারতি,সুপ্তির সাথে মিথ্যা ভালবাসায় জড়ানোর কি দরকার ছিল? আমিও তোকে খুব পছন্দ করি বুদ্ধ। আমি তোকে অনেক ভালোবাসি। সারাটা জীনব তোর সাথে কাটাতে চাই। . জানি না এই চিঠি পড়ার পর কি করবি? তবুও আমি আমার মনের কথা টা বলে ফেললাম।একটু ভেবে দেখিস। . ইতি তোর অপেক্ষায় সুুুমি . . কয়েক মাস আগে..... . কলেজে একদিন- # রাফি: কি রে কেমন আছিস? # সুুুমি: ভাল।তুই? -- হুমমম ভাল। ক্লাস নেই তোর? -- না। তোর? -- না এখন নেই। -- আবার মিথ্যা বলিস? -- আরে আছে তো। কিন্তু যাবো না। -- কেন জাবি না? -- ভালো লাগে না। তাছাড়া তোকে একা রেখে কি করে যাই বল তো? -- আচ্ছা ঠিক আছে।যেতে হবে না।তুই বস, এখনে আমার একটা নতুন ফ্রেন আসবে। তোর সাথে পরিচয় করে দেই। -- ঠিক...

বিপ্লব+তাজিম/ valobasar golpo

Image
valobasar golpo ‘আমাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। সবার কাছে আমাদের একটাই অনুরোধ। আমাদের দেহগুলো দয়া করে কাটতে দেবেন না। পাশাপাশিই আমাদের কবর দেবেন। আর সবাই আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। আমরা একজন আরেকজনকে ছাড়া বাঁচতে পারব না। তাই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলাম। বেঁচে থাকতে তো কেউ আমাদের এই সম্পর্ক মেনে নেবে না। বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়ে তাদের মনেও কষ্ট দিতে পারব না। তাই এই পথ বেঁচে নিতে বাধ্য হলাম দুজন। ইতি: বিপ্লব+ তাজিম। পাঠক, এটি একটি সুইসাইড নোট। দুই তরুণ-তরুণীর আত্মহননের আগে এই চিরকুট লিখে গেছেন। ঢাকা, ১৯ জুন গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর আগে অভিভাবকেরা তাঁদের সম্পর্ক মেনে না নিলেও পাশাপাশি হয়েছে শেষ আশ্রয়। বাড়ির পাশের আজিমপুরে শুয়ে আছে এই জুটি। এখনো তাদের কবর। কবরে গুঁজে দেওয়া খেজুর গাছের ডাল গুলো এখনো সতেজ। বিপ্লব (২৮) ও তাজিম আকতার (২১)। ঢাকায় সামনাসামনি দুজনের বাড়ি। দূরত্ব বড়জোর ২০০ গজ। সম্পর্কে বেয়াই-বেয়াইনও (বন্ধুর শালির বান্ধুবী)। পাশাপাশি থাকার সুবাদে কাছাকাছি আসে একে অপরের। একসময় দুটি তরুণ মন স্বপ্ন দেখে ঘর বাঁধার। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় দুই প...

শেষ প্রহরের বিষণ্নতা.../valobasar golpo

Image
valobasar golpo বিষণ্নতা অথবা শেষ প্রহরের গল্প -মুনতাসির রাহাত শততমবারের মত বিশাল একটা ম্যাসেজ লিখে ব্যাকস্পেস চেপে ধরে রাহাত । নেশা লাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে রিমির নামের পাশের সবুজ বৃত্তটার দিকে । বৃত্তটা উধাও হয়ে যায় কিছুক্ষনের মাঝেই , তখনও নেশাটা কাটেনা ওর । নেশাটা বড্ড যন্ত্রনা দিচ্ছে আজকাল । সামান্য একটা চোখের দেখা থেকে বাচ্চা টাইপের একটা মেয়ের উপরে এত বড় একটা নেশা কল্পনাও করেনি সে ! কিছুক্ষন ওভাবেই বসে থাকা , তারপর ল্যাপটপের ডালা লাগিয়ে উঠে চলে আসা হুট করেই । গায়ে একটা চাদর জড়িয়ে বাইরে এসে দাঁড়ায় রাহাত। ভীষণ শীত পড়েছে ইট,কাঠ,পাথরের এই শহরে । শীতের স্বভাবজাত বিষণ্নতাটুকুও আজকাল স্পর্শ করেনা ওকে । অথচ কবিতা লেখার জন্য শীতের বিষণ্নতা একসময় খুব পছন্দের সাবজেক্ট ছিলো ওর ! লিখতে ভীষন পছন্দ করা ছেলেটার মাথা এখন ফাঁকা হয়ে থাকে একদম ! ল্যাপটপের ডালা জোরের সাথে বন্ধ করে উঠে বারান্দায় দাঁড়ানো , দৈনন্দিন এই রুটিনটার পরিবর্তন হয়না অনেকদিন । অথচ এই দৈনন্দিন রুটিনটাই ওর স্বাভাবিক, উড়ন্ত, ভীষণ তীব্রতার এক জীবনে কতবড় ওলটপালট এনেছে, মেয়েটা কি তা জানে ? জানেনা নিশ্চয় ... অথচ শুরুট...

আনিতা আর সবুজ/ valobasar golpo

Image
valobasar golpo তোমার তো এখানে বসে থাকার কথা ছিলনা। তবে এখানে কেন বসে আছ?  সবুজ কে শাসানোর মত করে কথা গুলো বলতে থাকে আনিতা। পাক্কা ১৫ মিনিট ধরে পুরো পার্ক তন্ন তন্ন করে সবুজ কে খুজেছে আনিতা। দুজনের দেখা করার কথা ছিল পার্কের অন্য কোনায় যেখানে অনেক গুলো ফুল গাছ আছে। লাল রঙের ফুল আনিতার খুব পছন্দ। সবুজ আনিতা কে সবসময় লাল রঙের ফুল দিয়েই প্রপোজ করে। পার্কে আসলে যখনই আনিতার অভিমান হয় তখনই গাছ থেকে একটা লাল ফুল এনে আনিতা কে দেয়। আজ সে ধরনের কোনো সুযোগ নেই। আনিতা দিকে না তাকিয়েই সবুজ জবাব দিতে থাকে। *এখানে অনেক ঘাস আছে তাই বসে আছি। -তুমি কি ছাগল যে ঘাস দেখে বসতে হবে? *আমি ঘাস দেখে বসিনি, ঘাসের উপর বসে আছি। চাইলে তুমিও বসতে পার। -আমি তোমার মত ছাগল না। *আমি জানি তুমি ছাগল না। ছাগলের স্ত্রী লিঙ্গ ছাগী। -কি আমাকে তুমি ছাগী বললে!!!!???? *এখনো বলিনি। তবে ছাগলের বউ ছাগীই হয়। -আমি তোমার বউ না। *আমি তো বলিনি তুমি আমার বউ। -এত কথা প্যাঁচাও কেন? তুমি একটা রামছাগল। *রামছাগলের তুর্কি দাড়ি থাকে। আমি একদম ক্লিন শেভ। -ওহ অসহ্য! কেন যে তোমার মত ইডিয়ট এর সাথে প্...

অপূর্ব সত্তিকারের ভালোবাসা/valobasar golpo

Image
valobasar golpo -আচ্ছা আশফিয়া তুই কি কখনও বুঝবি না যে আমি তোকে কতটা ভালোবাসি ??? -দেখ ফারুক তোর সাথে রিলেশন করা সম্ভব নয়। -কিন্তু কেনো দোস্ত ??? -কারন তুই আমার ছোটো বেলা থেকে ভালোবন্ধু।আর আমি বন্ধু ছাড়া আর কিছু ভাবি না। -কিন্তু যারা ভালো বন্ধু তারা কি বিয়ে করে না, প্রেম করে না ? -দেখ ফারুক আমার পক্ষে সম্ভব না -তুই তো জানিস আমি ছোটো বেলা থেকে তোকে ভালবাসি। তুই আমার প্রথম ভালোবাসা। -দেখ আমার কিছু করার নেই। তুই শুধুই আমার বন্ধু আর কিছু না। কথাটা বলেই আশফিয়া চলে গেলো। ফারুক আশফিয়ার পথের দিকে তাকিয়ে আছে। সেই ছোটো বেলা থেকে ফারুক আশফিয়া কে ভালোবাসে। কিছু তেই আশফিয়া কে ছাড়া বাচা ওর পক্ষে সম্ভব নয়। শত হোক প্রথম ভালোবাসা,,,, আর প্রথম ভালোবাসা সহজে ভুলার নয়। কিন্তু আশফিয়া যেনো তা বুঝে না। আশফিয়া বুঝতেই চায় না। ফারুক তো আশফিয়ার জন্য সব কিছু করতে পারে। আশফিয়া তো জয় নামে একজন কে খুব ভালোবাসে কিন্তু বলতে পারে না। তাই একদিন জয় এর সাথে আশফিয়ার রিলেশন হয়ে গেলো। আর ওদের সম্পর্ক খুব গভীর হয়ে গেলো। জয় মোটেও আশফিয়াকে ভালোবাসত না,,,, শুধু আশফিয়ার দেহ টাকে ভালোবাসতো। ...

প্রতিধন্ধী ভালোবাসা/valobasar golpo

Image
valobasar golpo আমি : আচ্ছা, পৃথিবীর সব প্রেমিকাই তার প্রেমিককে সিগারেট খেতে নিষেধ করে, নানা রকম ভয়ানক শর্ত জুড়ে দেয়! তুমি আমার সব বিষয়ে বিধি-নিষেধ আরোপ করলেও সিগারেট প্রসংগে কিছুই বলোনা, ব্যাপারটা কি বলো তো?। তুমি আমায় নিষেধ করোনা কেন ?? সে : আমি নিষেধ করলেই তুমি সিগারেট ছেড়ে দিবে ?  আমি: উমমম... (কিছুক্ষণ ভেবে চিন্তে) না! না আবার হ্যাঁ... সে: না আবার হ্যাঁ কেন ? আমি: নিষেধ করার সাথে সাথেই তো ছেড়ে দিতে পারব না (কিছুটা বিব্রত ভঙ্গিতে আমতা আমতা করে)! সে: আর হ্যাঁ কেন?  আমি: তুমি একটা কাজ নিষেধ করবে আর আমি সেটা করবো ?? সে: হুমমম... এই কারণেই আমি তোমাকে নিষেধ করিনি। আমি: বুঝিনি, বুঝিয়ে বলো...। সে: শোন, তোমাকে একদিন সিগারেট প্রসংগে জিজ্ঞেস করেছিলাম । তখনো তোমাকে আমি ভালবাসতে শুরু করিনি... তোমার মনে আছে ? আমি: নাহ্। কি জিজ্ঞেস করেছিলে ? আর আমি কি উত্তর দিয়েছিলাম ? সে: আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, সিগারেট কেন খান? কি মধু আছে এতে? তুমি বলেছিলে, কেন খাই জানিনা, তবে সিগারেট নিঃসঙ্গতার অনুষঙ্গ । হুমায়ুন আহমেদের ভাষায়, সিগারেট এক ধরণের আশ্রয়। আমি: তো ? সে: দ্...

সপ্ন বড় অসহায়/sad love story/valobasar golpo

Image
valobasar golpo সপ্না আর নিলয় ছোট বেলা থেকেই একসাথে বড় হয়। সপ্নার বাবা ট্যাক্সি চালায়, আর নিলয়ের বাবা একজন হোমিওপ্যাথি ডাক্তার। দুই ফ্যামিলির মধ্যে সম্পর্কটা মন্দ নয়। সপ্না নিলয়কে মনে মনে ভালোবাসতো। কিন্তু কখনো বলতে পারে নি। তারা একত্রে অনার্স পাশ করে। নিলয়ের সরকারী চাকরি হয়। বাসা থেকে ধুমধাম করে বিয়ে দিয়ে দেয়। সপ্না বেচারি ঘরে বসে একা কাঁদে। কিছু করার থাকে না তার। সপ্নার অবস্থা দেখে তার মা সপ্নাকে চেপে ধরে। জিজ্ঞেস করে সমস্যা কি। কান্নাবিজরিত গলায় সপ্না জানায় তার লুকানো প্রেমের কথা। তার একপেশে ভালোবাসার কথা। সপ্নার পরিবারে দুঃখ নেমে আসে। সপ্নার বাবা জানতে পেরে মেয়েকে জলদি বিয়ে দেয়ার বেবস্থা করতে চান। কিন্তু সপ্নার এক কথা, তার মনের কোঠায় গভীরে সে নিলয়কেই বসিয়েছে। এখন কোনও অবস্থাতেই তার পক্ষে বিয়ে করা সম্ভব নয়। সে এমনকি এই বলে হুমকি দেয় যে বাড়াবাড়ি করলে সে আত্মহত্যা করবে। সপ্নার পরিবারের সবাই ভয় পেয়ে যায়। সাথে সাথে কষ্টও পায়। কিন্তু কিছু করার থাকে না। একমাত্র মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া। বছর পাঁচেক পরের ঘটনা। সপ্না এখন ঢাকাতে একটি বেসর...